২ । অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ

Standard

অ্যারেঞ্জড ম্যারেজল্যাবে ঢুকেই থমকে গেল তুষার । ওর গ্রুপমেটদের সাথে ওই নতুন মেয়েটা কে ?

কাছে যেতেই হাত বাড়িয়ে দিল নতুন মেয়েটা । ‘হাই, আমি তৃণা । তুমি নিশ্চয় তুষার । তোমার কথা গ্রুপমেটদের কাছে শুনতে শুনতে মুখস্থ হয়ে গেছে একেবারে !’

যান্ত্রিক ভাবে করমর্দন করল তুষার । জানতে পারল অন্য একটা ভার্সিটিতে ছিল তৃণা । মাইগ্রেট করে ওদের ভার্সিটিতে জয়েন করেছে । পুরো ব্যাপারটাই তুষারের পছন্দ হচ্ছে না ।

কেন পছন্দ হচ্ছে না – সেটা বুঝতে ল্যাবে মাত্র আধ ঘন্টা কাটানোটাই যথেষ্ট ছিল ।

 

যেকোন বিষয়ে তৃণার সিদ্ধান্ত একবাক্যে মেনে নিচ্ছে প্রত্যেকটা গ্রুপমেট । তানভীর তো বাতাসের আগে আগে ছুটে যাচ্ছে যা কিছু দরকার আনতে । দু-একটা সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে তুষার আপত্তি করে গেলেও লাভ কিছু হল না । মনে হচ্ছে ও অদৃশ্য । অথচ তৃণার সামান্য ইঙ্গিতেই লাফালাফি করে হুকুম তামিল করে যাচ্ছে বিশ্বাসঘাতকগুলো ।

গ্রুপের সবার মনযোগ মেয়েটার দিকে । সজীবটা আবার বেহায়ার মত হেসেও যাচ্ছে ।

 

মাত্র দুই সপ্তাহ ভার্সিটির বাইরে ছিল ও । ফুটবল খেলতে গিয়ে পা ভালভাবেই মচকেছিল । তাতেই আধিপত্য বলতে আর কিছু থাকছে না মনে হয় । রাগে দাঁত কিড়মিড় করল তুষার । এতদিন এই গ্রুপটার মধ্যে ওরই ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য । তাছাড়া সবাইকে কাজ করার সুযোগ করে দিত ও – যাতে সবাই-ই শিখতে পারে । জটিল কোন সমস্যায় আটকে গেলে তুষারই ছিল সবার উদ্ধারকারী ।

কথায় কাজ হবে না বুঝে চুপচাপ ল্যাবের সময়টা পার করে দিল তুষার ।

*

‘মামা, একটা বেনসন দেন।’

শরীফ মামার চায়ের দোকানে এসেই সিগারেট ধরালো তুষার । তৃণা চোখের সামনে থেকে দূর হওয়ার পর থেকেই তানভীর সজীব আর রাশেদ আগের মতই ব্যবহার করছে তুষারের সাথে ।

তুষারের মন-মেজাজ ভালো নেই বুঝতে পেরে কয়েকটি অশ্লীল জোকস ছাড়ল সজীব ।

 

‘শালা – তোমাদের সুন্দরী মাইয়া দেখলেই আর মাথার ঠিক থাকে না !’ খেঁকিয়ে উঠল তুষার । ‘দুইটা সপ্তাহ পায়ে ব্যাথা নিয়া পইড়া ছিলাম সে কথা একটা বার ভাবস নাই – সেটা মানলাম । কিন্তু এখন দেখি আমাকে চিনতেও পারিস না আর !’

‘দোস্ত – এটা তোর বোঝার ভুল ।’ ওকে শান্ত করার চেষ্টা করল রাশেদ, ‘আমরা প্রতিদিনই তোকে দেখতে গেছি প্রথম সপ্তাহ । তারপর তোর অবস্থার উন্নতি হয়েছিল ভালই । তাছাড়া ভার্সিটিতে চাপ বেড়ে যাওয়ায় …’

‘চাপ বেড়ে যাওয়ায় !’ সিগারেটে জোরসে টান দিয়ে বলল তুষার । ‘নাকি বল তারপরই তৃণা শালি চলে আসায় আর আমাকে তোদের মনে নাই ?’

‘তোর হবে রে ।’ এতক্ষণে কিছু একটা বলল তানভীর ।

‘কি হবে?’

‘প্রেম ।’

‘মেজাজ ভালো নাই,শালা ।’ উঠেই গেল তুষার, ‘আজাইরা কথা বলবি তো বল । আমি গেলাম ।’

বন্ধুদের অনুরোধ অগ্রাহ্য করে বেড়িয়ে গেল তুষার ।

*

ক্লাসে অথবা ল্যাবে – তৃণা হয়ে গেল তুষারের দুই চোখের বিষ ।

যেখানে যেভাবে পারে – ওকে এড়িয়ে চলে অথবা খোঁচা দিয়ে কমেন্ট করে তুষার ।

তৃণা আবার এদিক থেকে এক ডিগ্রী উপরে । তুষারকে দিগন্তরেখায় দেখলেই চিল চিৎকার, ‘তুউউউউউউউউষার ! অ্যাই !! এইদিকে !!…’

ফর্মালিটি রক্ষার্থে দুই-একটা কথা বলতেই হয় ।

পার হয়ে গেল এভাবেই চারটা মাস ।

 

শরীফ মামার দোকানে একদিন ক্ষোভে ফেটে পড়ল তুষার ।

‘নিজে এক ভার্সিটি থেকে ভেগে গেছে শালি এখন আমাকে তাড়াতে চায় !’

‘তৃণার কি দোষ ?’ দোষী পক্ষের উকিল দাঁড়িয়ে গেল তানভীর ।

‘খুব ভালো করে জানে ওকে সহ্য করতে পারিনা । ইচ্ছে করে সামনে আসে – গায়ে পড়ে কথা বলতে চায় ! আইডিয়া কি ওর না তোরা আমার পিছনে লাগিয়ে মজা নিচ্ছিস ?’

‘তুই একটু বেশিই ভাবছিস । আমার মনে হয় মেয়েটা তোকে পছন্দ করে ।’ স্বভাবসুলভ অল্প কথায় কাজ সাড়ল রাশেদ ।

‘তোর মাথা আর মুন্ডু । আমার ডিস্টার্বড মুখ দেখে বেয়াদবটা মজা পায় – আর কিছু না ।’ মেনে নিতে রাজি নয় তুষার ।

*

‘বেয়াদব’টা যে শুধু তুষারের বিরক্ত মুখ দেখে মজা পায় – এই ধারণা পরের সপ্তাহেই ভুল প্রমাণিত হয়ে গেল ।

রাতের বেলায় ফেসবুকে তৃণার মেসেজ পড়ে গরম চায়ে ঠোঁট পুড়িয়ে ফেলল তুষার ।

 

‘এত ইগনোর কর কেন ? চোখ দেখনি আমার একবারও ? বোঝনা এতটা রুড বিহেভের পরও কেনই বা তোমার সামনে পড়ি ? আমার ভবিষ্যত তোমার হাতে বাঁধা । সিদ্ধান্ত তোমার । জানিও আমায় । তোমাকে ছাড়া জীবনটা পার করার কথা ভাবতেও পারি না ।’

 

সকাল সকাল রাশেদ – তানভীর – সজীবের ডাক পড়ল শরীফ মামার দোকানে ।

ঘটনা শুনে উৎফুল্ল সবাই ।

‘মাম্মা !! তোমার তো হইয়াই গেল ।’ পিঠ চাপড়ে দেয় সজীব উচ্ছ্বাসে ।

‘শরীফ মামা, বিল তুষারের । বেনসন দেন চারটা ।’ রাশেদ বলে ।

‘বলবি কি ওকে ?’ কনক্লুশন চায় তানভীর, ‘মেয়েটা কিন্তু জোস ! রাজি হইয়া যা বলদ।’

‘এমন ভাব কেন নিচ্ছিস যে আমার জীবনের গল্প তোরা জানিস না ?’

বিষাদের ছায়া নেমে আসে চারজনের ছোট্ট সার্কেলটিতে ।

*

তুষারের বাবা এক বছর আগে মারা গেছেন । মৃত্যুশয্যায় তাঁর একটাই কথা – বন্ধুকে দেওয়া কথার যেন খেলাপ না হয় । তাঁকে যেন ওয়াদা খেলাপকারী বানানো না হয় । তুষার নিজে বাবার হাতে হাত রেখে বলেছে – সেদিকটা ও নিশ্চিত করবে । তখনও ও জানত না ঠিক কি বিষয়ে কথা বলছে বাবা ।

আগে কখনও ওর সামনে এর আলোচনা হয় নি । বাবার মৃত্যুর পর মা জানায় ওকে পুরো কাহিনী ।

তুষারের ছেলেবেলা কাটে চট্টগ্রামে । বাবার কর্মস্থল সেখানেই ছিল তের বছর । তুষারের জন্মও ওখানে । সাত বছর পর্যন্ত ওখানে ছিল ও । বাবার ছেলেবেলার বন্ধু কাম কলিগ আরিফুজ্জামানও ছিলেন ওখানে । দুটো পরিবার মিশে গেছিল ওতোপ্রোতভাবে । তুষারের ছয় মাসের ছোট একটা মেয়ে ছিল তাঁদের । অনেক বাঙ্গালী বন্ধুদের মতই ঠিক করেন নিজেদের ছেলে-মেয়েদের সাথে বিয়ে দিয়ে সম্পর্ক চিরস্থায়ী করে ফেলতে ।

পরবর্তী এতগুলো বছরের মাঝে কেউই ভুলে যাননি সে কথা । তুষারের বাবা সিগারেট খেতেন প্রচুর । লাংসে যখন ক্যান্সার ধরা পড়ল তখন মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে গোটা ফ্যামিলির । বাবাকে নিয়ে ছোটাছুটি করে নি এমন কোন জায়গা নেই । কিছুতেই কিছু হল না । অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যেতেই থাকল । মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে ছেলেকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে যান তিনি ।

‘বাবার দেওয়া কথা আমার কাছে আমার জীবন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ । রাজি হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না ।’ শেষ কথা তুষারের ।

*

রেস্টুরেন্টের নিরিবিলি কোণায় বসে তুষার আর তৃণা । এই জায়গায় ওকে একরকম ধরেই এনেছে তৃণা ।

আড়চোখে মেয়েটাকে দেখল তুষার । লজ্জা পাচ্ছে মনে হয় । মাথা নিচু করে বসে আছে একটা উত্তরের আশায় । নারীর লজ্জার সাথে সৌন্দর্য্যের একটা যোগসূত্র আছে মনে হয় । গালের লালচে আভা আর নিচের ঠোঁট আলতো করে কামড়ে ধরায় তৃণাকে আরও সুন্দরী লাগছে । চুলের রেখা গুলো চোখের গরাদ দিয়েছে । বুকের ভেতর খালি খালি লাগল তুষারের । এত সুন্দর একটা মেয়েকে কষ্ট দিতে হবে ভেবে । কান্নাকাটি না লাগালেই হয় । সুন্দরী একটা মেয়ের কান্না দেখার চেয়ে দূরবর্তী কিছুই নেই তুষারের কাছে।

ধীরে ধীরে ওকে খুলে বলল তুষার । ওর জীবনের গল্প । ছেলেবেলার অদ্ভুত সেই সিদ্ধান্তের কথা ।

শুনতে শুনতে পানি জমে ওঠে তৃণার চোখের কোণে ।

ভূতের মত বেরিয়ে পড়ে দুইজনে ।

আজ কি যেন হয় তুষারের । তৃণাকে বাসায় পৌঁছে দেয় ও ।

নিজের বাসায় ফিরে আসার সময় অদ্ভুত একটা খারাপ-লাগা অনুভূতি কাজ করে ওর ভেতর ।

বাবার কথা ভেবে মাথা থেকে বের করে দেয় সবকিছু ।

*

তিনটি দিন পার হয়ে গেছে ।

ভার্সিটি যেতে আর ইচ্ছে করে না তুষারের ।

বন্ধুদের ফোন অগ্রাহ্য করে । আর ছয়টা মাস পরই ভার্সিটি-জীবন শেষ ওর । এর পরই মা বিয়ের কথা টানবেন ।

আজকাল ঘুরে ফিরে শুধু তৃণার মুখটাই ভেসে ওঠে তুষারের মনে । আসলেই কি ও মেয়েটাকে দেখতে পারত না ?

একটা কথা ঠিক – তিক্ত একটা অনুভূতি প্রথম প্রথম ওর ভেতর কাজ করছিল যখন ওকে প্রথম দেখে । কারণ ওর মনে হয়েছিল বন্ধুদের থেকে দূরত্বের জন্য তৃণাই দায়ী । যদিও মেয়েটার দোষ আসলে ছিল না । অথচ – এর ওপর ভিত্তি করেই অসংখ্যবার ওকে অপমান করে তৃতীয় কাওকে কিছু বলেছে তৃণার সম্পর্কে, তৃণার সামনেই । মেয়েটার হাসিখুশি মুখ অনুজ্জ্বল হয়ে যেতে দেখে ভেতরে ভেতরে তৃপ্তি পেয়েছে ।

আজ প্রথম যেন উপলব্ধি করল – তৃণাকে ও ঘৃণা করত না – মেয়েটাকে ওর ভালই লাগত । শুধুই ভালো লাগত ? গত তিনদিনের প্রতিটি সেকেন্ড কেন তাহলে তৃণা ওর মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে । বুঝল তুষার – আর লুকিয়ে লাভ নেই – এই কয় মাসে তৃণার প্রতি কখন ওর তীব্র একটা ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে – ও জানে না ।

জানতেও চায় না ও । আজ মনে হচ্ছে – শুধুই একটা ছেলেমানুষী সিদ্ধান্তের জন্য ওর জীবন পালটে ফেলার কোন ভালো কারণ নেই । কেন ওকে বিয়ে করতে হবে সেই মেয়েকে – যার কথা ওর মনেই নেই ঠিকমত ?

সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে তুষার । তৃণার মোবাইল নাম্বার ওর কাছে নেই । শুধু ফেসবুক আইডির মাধ্যমে যোগাযোগ হত ।

 

এখন ভার্সিটিতে ওদের থাকার কথা । পোশাক পরে বাইরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয় তুষার ।

ঠিক এই সময় মা ঘরে ঢোকে ।

‘আরিফুজ্জামান ভাই তার মেয়েকে নিয়ে এসেছেন । বিয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চান উনারা ।’

‘খ্যাতা পুড়ি!’ মনে মনে বলে তুষার ।

মুখের অবস্থা দেখেই মনের কথা পড়ে ফেলেন মা, ‘ছেলেমানুষী সিদ্ধান্ত নিয়ে উনি সচেতন । তোদের মতামত জানতে চান কেবল । মুখদর্শনের ব্যাপার শুধু – বাবা । এরকম মুখ কালো করিস নে ।’

*

ছেলে-মেয়েকে নিজেদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ দিয়ে হাওয়া হয়ে গেলেন অভিভাবকদ্বয় ।

‘তৃণা !’ আনন্দের সাথেই অবাক হয় তুষার । ‘তুমি আমাকে আগে বলনি কেন??’

‘আজ তোমাকে অন্য কিছু বলতে এসেছি তুষার ।’ বিষন্ন গলায় বলে তৃণা, ‘তুমি এখন আমাকে জীবনসঙ্গী করতে রাজি, তাই না?’

‘সানন্দে ! তৃণা তুমি জানো না একয়দিন আমার -’

তুষারকে বাক্য শেষ করতে দেয় না তৃণা । ‘আমার জন্য কোন অনুভূতি নেই তোমার তুষার। তোমাকে আমি কিভাবে বিয়ে করি বল ? তুমি কেবলই রাজি হচ্ছ তোমার বাবার শেষ ইচ্ছে পূরণের লক্ষ্যে । এমনটা হবে আমি জানতাম । সেজন্যই আমার ভার্সিটি মাইগ্রেট করে তোমার কাছে আসি আমি । ছেলেবেলা থেকেই তোমাকে হাজব্যান্ডের জায়গা দিয়ে এসেছি । আমি জানতাম বাবা-মার ইচ্ছের কথা । সেখান থেকে কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলি ! কিন্তু জানি তোমার মধ্যে কখনও আমার প্রতি কিছুই ছিল না । তোমার ভার্সিটিতে তোমার কাছে এসে চেয়েছিলাম নিজের স্থানটা করে নিতে । কিন্তু হল কই ?’ চোখ মোছে তৃণা । ‘শেষ পর্যন্ত তুমি সেই প্রতিজ্ঞাকেই বিয়ে করতে যাচ্ছ । আমাকে না ।’

‘তুমি সব না শুনে এসব ধারণা করতে পার না, তৃণা ’ তৃণার দিকে সরাসরি তাকায় তুষার, ‘গত তিনদিন আমি খুব ভালোভাবেই ভেবছি আমাদের ব্যাপারে । আমার মনে হয়েছে – বিয়ের ব্যাপারটা একটা প্রতিজ্ঞার মাধ্যমে ঠিক করে ফেলার মত বড় ভুল আর কিছুই হতে পারে না। আমি আজই তোমার কাছে যেতাম । আমার সিদ্ধান্ত তোমাকে যেতে । তৃণার কাছে যেতাম । প্রতিজ্ঞার কাছে না ।’

‘মিথ্যে বলে আমাকে ভুলিও না, তুষার – প্লিজ।’ রীতিমত কাঁদছে তৃণা ।

‘সত্য-মিথ্যা যাচাই-এর আগে – একটি বার কি তোমার ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, তৃণা ?’

 

মোবাইল বের করে ফেসবুকে ঢোকে তৃণা । একটি নতুন মেসেজ ।

‘মাসের পর মাস নিজের সাথে লুকোচুরি খেলে আমি ক্লান্ত । আমার ভবিষ্যতও যে তোমার হাতে বাঁধা । সিদ্ধান্ত আমার – বলেছিলে তুমি । আমি তোমার হতে চাই । উইল ইউ ম্যারি মি ?’

 

তুষারের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে অঝোরে কাঁদে তৃণা । তবে এ কান্না স্বস্তির – আনন্দের।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s